আমরা চব্বিশ ভুলবো না, একাত্তরও ভুলবো না:মির্জা ফখরুল

বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: এখন জামায়াতে ইসলামী খুব কথা বলছে। তারা একাত্তর (১৯৭১) সালে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল। আমাদের পালিয়ে যেতে হয়েছিল। আমরা চব্বিশ ভুলবো না, একাত্তরও ভুলবো না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীনতা পেয়েছি৷ যুদ্ধ করেছি একটা স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার জন্য।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর আসনের ফাড়াবাড়ি স্কুল মাঠে নির্বাচনী গণসংযোগে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াতের প্রার্থীকে না জেনে কথা না বলার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এ সরকার নিরপেক্ষ সরকার। ভোটের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হবে, তারা সরকার গঠন করবে। এবার সুন্দর নির্বাচন হবে। মন যাকে চাইবে, তাকেই ভোট দেবেন। জেলার বড় বড় সড়ক, কলেজ-মাদরাসার উন্নয়ন, ভুট্টা চাষ, বরেন্দ্র টিউবওয়েল আমরা করেছি।

তিনি বলেন, হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করতে চাই। যুবকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে বিদেশে পাঠাতে চাই, যাতে তারা স্বাবলম্বী হয়ে আয় করতে পারে। দক্ষিণাঞ্চলে প্রত্যেক ঘরে ঘরে একজন করে বিদেশে থাকে। বাইরে গেলে এলাকার উন্নয়ন হবে…। তথ্যপ্রযুক্তির প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে চাই। কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে চাই। বিমানবন্দর চালুর গুরুত্বের আগে আয় বাড়ানোকে গুরুত্ব দেব। বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, প্রকৌশলী কলেজ করতে চাই। সবাই এক হলে কাজগুলো করা সম্ভব হবে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের ভয় কাজ করে। ভয় করবেন না, আপনি এ দেশের নাগরিক, আমিও এদেশের নাগরিক। আপনাদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। কেউ আপনাদের ক্ষতি করবে না। আপনাদের সুরক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের, আমাদের সবার। এটা আপনাদের দেশ, আপনাদের মাটি। এটা আপনার জমি, আপনার দেশ।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমি আপনাদের পুরোনো মানুষ। পরীক্ষিত মানুষ, এটা আমার শেষ নির্বাচন। এবার ধানের শীষে ভোট দিয়ে কাজ করার সুযোগ দেবেন। ভোট আপনাদের আমানত, এটার খেয়ানত করব না। আমরা বাপ-দাদার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি। সততার সঙ্গে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করব।