জাতির সংবাদ ডটকম।।
রাজধানীর চালের বাজারে আবারও অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। খুচরা বাজারে দাম বেড়েছে মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের। এ ছাড়া সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে মুরগির দাম। অধিকাংশ সবজি বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই।
বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি পর্যায়ে চালের দাম বাড়ায় প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়েছে। আউশ, আমন ও নাজিরশাইল ধানের চাল বাজারে আসতে শুরু করেছে। এতে বেশির ভাগ চালের দাম কমার কথা থাকলেও উলটো বেড়েছে। অন্যদিকে বিয়ে মৌসুমসহ সামাজিক অনুষ্ঠানের প্রভাব মুরগির বাজারে পড়েছে বলেও জানান মুরগি বিক্রেতারা।
গতকাল মিরপুর-১১ বাজার ঘুরে দেখা যায়, সব ধরনের মিনিকেট চালের দাম বেড়েছে। প্রতি কেজি মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল ৮৫-৮৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৮২-৮৪ টাকা। রশিদ মিনিকেটের দাম এখন ৭৫-৮০ টাকা। নন-ব্র্যান্ডের মিনিকেটের দাম ৭০ টাকা, যা গত সপ্তাহেও ৬৫ টাকার আশপাশে ছিল।
আর দামি মিনিকেট মোজাম্মেলের দাম কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়ে ৯০ টাকা হয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দামও বেড়েছে। কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৮০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়। আর সোনালি মুরগির দাম ২৮০-২৯০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহ থেকে ১০-২০ টাকা বেশি। এদিকে সবজির বাজার রয়েছে অনেকটা আগের মতোই।
শিম কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাঁধাকপি প্রতি পিস পাওয়া যাচ্ছে ২০-৩০ টাকায়। বেগুন কেজিপ্রতি ৫০ টাকা, পেঁপে কেজিপ্রতি ৪০ এবং মিষ্টিকুমড়া ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপি ৫০-৬০ টাকা, মাঝারি মানের লাউ পাওয়া যাচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়। মুলার দাম কিছুটা বেড়ে কেজিপ্রতি ৪০-৫০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ক্ষিরা কেজিপ্রতি ৫০-৬০, কাঁচামরিচ ১০০-১২০ ও পিঁয়াজ কেজিপ্রতি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকায়। ছোট মসুর ডাল কেজিপ্রতি ১৫৫ এবং মোটা মসুর ডাল ১০০ টাকায় মিলছে। বড় মুগ ডাল ১৪০, ছোট মুগ ডাল ১৭০, খেসারি ডাল ১০০, বুটের ডাল ১১৫, ছোলা ১১০ এবং মাষকলাই ডাল ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়াও মাছের বাজারে মানভেদে রুই মাছ কেজিপ্রতি ২৮০-৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাতলা ৩০০-৩৫০ টাকা, পাঙাশ ১৮০-২০০ টাকা এবং তেলাপিয়া ১৬০-২০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। চিংড়ির দাম কেজিপ্রতি ৬৫০-৭০০ টাকা। মাঝারি আকারের কই মাছ ২০০-২৫০, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০, শোল ৬৫০, সুরমা ৩৫০ এবং পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।