মনসুর আহাম্মেদ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁও ১আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। ঠাকুরগাঁও ২ আসন টিতে বিএনপির প্রার্থী ডা. আব্দুস সালাম জয়লাভ করেন। ঠাকুরগাঁও-৩ সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান জাহিদ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন (জামায়াত) দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৮১ ভোট। ঠাকুরগাঁও-২ সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থী ডা. আব্দুস সালাম পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা আব্দুল হাকিম (জামায়াত) দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৭০৭ ভোট।
ঠাকুরগাঁও-৩ সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান জাহিদ পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৭৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিজানুর রহমান (জামায়াত) দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পেয়েছেন ৯০ হাজার ৭৬৭ ভোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও জেলার তিনটি সংসদীয় আসনেই বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ইশরাত ফারজানা।
ঠাকুরগাঁও জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে মোট ২০ প্রার্থী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়। এ তিন আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৫ হাজার ৫১৭ জন্য। তিনটি আসনের সাধারণ মানুষ আশা করে ঠাকুরগাঁও আসনে ১ , ঠাকুরগাঁও – ৩ আসনে পীরগঞ্জ ও রাণীশংকৈল ঠাকুরগাঁও -২ আসনে বালিয়াডাঙ্গী ও হরিপুর উপজেলা, সাধারণ মানুষের চেয়ে আছে আশা আকাঙ্ক্ষা দিকে।
যে আশা আকাঙ্ক্ষা সাধারণ মানুষের মধ্যে সেগুলো পূরণ করবেন।
বেকার মুক্ত ঠাকুরগাঁও জেলা গড়ার লক্ষ্যে একসাথে কাজ করবেন ধারণা করছেন সাধারণ মানুষ। এই বিএনপির ৩ সাংসদ সদস্যন ঠাকুরগাঁও উন্নয়নের
সমৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে যা যা করণীয় তা করবেন আক্ষা জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁও বাসি।
ঠাকুরগাঁও জেলার মানুষের কাছে অঙ্গীকার বদ্ধ , ওয়াদাবদ্ধ, সাধারণ মানুষের কাছে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং সাধারণ মানুষের যে আকাঙ্ক্ষা কথা বলেছেন
ঠাকুরগাঁও বেকার মুক্ত যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি লক্ষ্যে কাজ করবেন ও ঠাকুরগাঁও জেলা দারিদ্র্যমুক্ত জেলা হবে।