দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল বেলা ১২টা থেকে রাত ৮/৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিষয়টি পুনঃ বিবেচনার দাবী

মঙ্গলবার, এপ্রিল ৭, ২০২৬


জাতির সংবাদ ডটকম।।

বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির এক জরুরি ভার্চুয়াল সভা গতকাল অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সন্ধ্যা সাতটার পর দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে দোকান ব্যবসায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। কারণ খুচরা বিক্রির প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ সন্ধ্যার পর হয় তাই এই সময়টাই পিক আওয়ার ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপিতে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায় অবদান ছিল প্রায় ১৫ শতাংশ। দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের মাত্র ৩ শতাংশ দোকান ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করে থাকেন। আর গরম শুরু হলে এবং তাপমাত্রা বাড়লে সন্ধ্যার তুলনায় দিনে বিদ্যুতের ব্যবহার বেশি হয়। এমন অবস্থা চলতে থাকলে ব্যবসায়ীদের বড় অংশই কর্মীদের বেতন-ভাতা ও দোকান ভাড়াই দিতে হিমশিম খাবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি দোকান ব্যবসায়ীরা পথে বসে গেলে (২.৫ কোটি) আড়াই কোটি মালকি-শ্রমকিরে জীবন ও জীবকিা অনশ্চিয়তার মুখে পততি হবে।

‎৭০ লক্ষ দোকান ব্যবসায়ীদের আঙ্গিনা ১২ কোটি ভোটারের পদচারণায় মুখরিত থাকে।

মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি নাজমুল হাসান মাহমুদ এবং সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান দিপু স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই  অনুরোধের কথা জানানো হয়।


‎বিবৃতিতে তারা বলেন, দেশের অর্থনীতরি চাকাকে সচল রাখার স্বাথে ঢাকা সহ বাংলাদেশের সকল সকল দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল খোলার সময় বেলা ১২ টা থেকে রাত ৮/৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিষয়টি পুনঃ বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষভাবে অনুরোধ করেন।