নোয়াখালীতে সংরক্ষিত নারী আসনে হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদকে চান স্থানীয়রা

বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

আবদুল বাসেদ নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:

নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ–কবিরহাট ও সদর আংশিক) আসনে আলোচনায় তুঙ্গে এসেছেন হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ। স্থানীয়দের একটি বড় অংশ তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ-এর স্ত্রী হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি সম্মান জানিয়ে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে নোয়াখালীর বিভিন্ন হাট-বাজার, চায়ের দোকান ও সামাজিক আড্ডায় এখন একটি দাবিই বেশি শোনা যাচ্ছে- হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়া হোক। স্থানীয়দের ভাষ্য, রাজনীতি মানে ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়; বরং জনগণের কল্যাণে দায়িত্ব নেওয়ার সক্ষমতা। তাদের বিশ্বাস, অবহেলিত জনগোষ্ঠী, অসহায় নারী ও তরুণ সমাজের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা রাখতে পারেন তিনি।
যদিও এ বিষয়ে দলীয় বা সরকারি পর্যায়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জনমত, স্থানীয় প্রতিক্রিয়া এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপরই তার মনোনয়নের সম্ভাবনা নির্ভর করবে।এ প্রসঙ্গে হাসনা জসিম উদ্দিন বলেন, রাজনীতি মানে মানুষের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া। সততা, সাহস ও ভালোবাসার মাধ্যমে মানুষের সেবা করাই তার অঙ্গীকার। জনগণের সমর্থন ও দোয়াকেই তিনি নিজের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে দেখেন।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে নোয়াখালীর প্রয়াত কৃতী সন্তান ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ-এর অসম্পূর্ণ কাজগুলো নতুন করে গতি পাবে এবং পরিপূর্ণতা লাভ করবে। নোয়াখালীবাসীর বিশ্বাস, মওদুদ আহমদের অবদান তারা কখনো ভুলবে না। তার মতো করে এ অঞ্চলের উন্নয়নে এত বিস্তৃত ও দৃশ্যমান ভূমিকা খুব কম নেতাই রাখতে পেরেছেন।
তাদের মতে, সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আগামী দিনে নোয়াখালী তথা দেশ গঠনে জনগণকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করে যেতে চান হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ। উন্নয়ন, সুশাসন ও জনকল্যাণের রাজনীতিকে সামনে রেখে তিনি দায়িত্ব পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও জানিয়েছেন।হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদ একজন বাংলাদেশী লেখক, পরিবেশবাদী এবং একজন রাজনীতিবিদ তিনি ১৯৮০-১৯৯৯ এর সময়ে তৃতীয় ও চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী -৫ আসনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে জাতীয় সংসদ সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ঐ সময় কাজের মেয়াদ ছিল ১০ জুলাই ১৯৮৬ ও ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ এই সময়ে তিনি নোয়াখালীতে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে যা অতীতে কোন এমপি করতে পারেনি। ওনার প্রেরণা ঔনি পল্লী কবি জসিম উদ্দিনের কন্যা পরবর্তীতে যার
পূর্বসূরী ও উওরসূরী ছিলেন মওদুদ আহমেদ। হাসনা মওদুদ প্রাক্তন শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ডেটন বিশ্ব বিদ্যালয়, তিনি লেখক ও পরিবেশবিদ ছিলেন। নোয়াখালীর উন্নয়নে মওদুদ আহমেদের পরিবারের অবদান অপরিসীম তারাই ধারাবাহিকতায় নোয়াখালীতে সংরক্ষিত নারী আসনে হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদকে চান স্থানীয়রা।