জাতির সংবাদ ডটকম।।
নারীর প্রতি উগ্রবাদ নিয়ে দেওয়া বক্তব্য খণ্ডিতভাবে প্রচার করা হচ্ছে জানিয়ে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, তার বক্তব্যের সঙ্গে নির্বাচনের প্রসঙ্গ যুক্ত করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। একটি টেলিভিশন চ্যানেলের সঙ্গে দেওয়া সেই বক্তব্যের সঙ্গে নির্বাচন ও বিরোধী দলকে জড়িয়ে যেভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে, তা ‘দুর্ভাগ্যজনক’ ও ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’।
আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাতির সংবাদ ডটকম এর প্রতিবেদকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আমার একটি বক্তব্য খণ্ডিত করে প্রচার করে, তার সাথে নির্বাচনকে যুক্ত করে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে, যা দুর্ভাগ্যজনক এবং অনাকাঙ্খিত। একটি টিভি চ্যানেল এর সাথে কথা হচ্ছিল নানা বিষয়ে তার মধ্যে একটি বিষয় ছিলো নারীর প্রতি উগ্রবাদ নিয়ে। মূল প্রশ্নটি ছিল এরকম- ৬. মাজারে হামলা, বাউলদের উপর নির্যাতন, নারীদের নিয়ে নানা কটূক্তি। আপনি কী ভাবে দেখেছেন সেই সময়? অনেকেই বলেছে, উগ্রপন্থিদের সুযোগ দিয়েছে সরকার?আমার বক্তব্যের সারাংশ এরকম- আমি বলেছি যারা “কটূক্তি” করেছে তাদের বিষয়ে নারী সমাজ যেমন প্রতিবাদ করেছে, লিগাল নোটিস দিয়েছে, সরকার ও কথা বলেছে। ফলে তারা ক্ষমা চেয়েছে। সেই সব কটূক্তি করা উগ্রবাদী শক্তি যেন মেনস্ট্রিম (মানে সমাজে প্রাধান্য সৃষ্টিকারী) না হয় সেটার বিষয়ে আমাদের (মানে নারী সমাজকে) কাজ করতে হবে। নারী সমাজ (সরকার না) সেই সব কটূক্তি করা শক্তিকে মেনস্ট্রিম হতে দেয় নাই। উপস্থাপক আমার বক্তব্যের মাঝখানে হঠাৎ নির্বাচনের কথা তুললে আমি বলেছি বিরোধী দলের যেইটুকু নারীর ক্ষমতায়নের সাথে সম্পৃত্ব, আমরা সেটা নিয়ে কাজ করব। এরপর আমি আবার মূল উত্তরে ফিরে গিয়েছি যেটা উগ্রবাদ সংশ্লিষ্ট ছিল। আমার বক্তব্যে স্বভাবতই আমি কোনও দলের নাম উচ্চারণও করি নাই, কারণ সেটা প্রাসঙ্গিক ও ছিল না। আর বিরোধী দল তো অবশ্যই mainstream, সুতরাং আমি কোনও দলকে মেনস্ট্রিম হতে দেই নাই বলে কে বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে, সেটা কেবলই অপবাখ্যা, অবান্তর এবং বিভ্রান্তিকর।আমার বক্তব্য ছিল উগ্রবাদ শক্তি বিষয়ে, কোনও দল বিষয়ে আমার কোনও বক্তব্য ছিল না।