সুনামগঞ্জ-৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আলোচনার তুঙ্গে

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৫, ২০২৬

 

মো: রফিকুল ইসলাম সোহাগ সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।।

​আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারী২০২৬ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের সীমান্তঘেঁষা জেলা সুনামগঞ্জের রাজপথ এখন নির্বাচনী আলোচনায় সরগরম।

বিশেষ করে জেলা সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এবং জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল এক শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছেন। তৃণমূলের ঐক্য আর জনসমর্থনের জোয়ারে নির্বাচনী মাঠে তাঁর অবস্থান এখন আলোচনার তুঙ্গে।

​স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নুরুল ইসলাম নুরুল দীর্ঘ সময় ধরে রাজপথের লড়াই-সংগ্রামে নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন।

তিনি শুধু শহরকেন্দ্রিক রাজনীতি করেননি, বরং প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি ওয়ার্ডে দলকে সুসংগঠিত করেছেন। দলের অভ্যন্তরীণ ছোটখাটো বিভেদ দূর করে তিনি এখন এক ঐক্যবদ্ধ শক্তির নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা নির্বাচনে বড় ব্যবধান গড়ে দিতে পারে।

সুনামগঞ্জ ৪-সদর-বিশ্বম্ভরপুর ​নির্বাচনী এলাকার সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নুরুল ইসলাম নুরুলের “ক্লিন ইমেজ” বা পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। বিগত সময়ের বন্যাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে আর্তমানবতার সেবায় তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ তাকে একজন জনদরদী নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তাঁর আধুনিক ও ইতিবাচক রাজনীতির প্রতি বিশেষ আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

​সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির প্রধান শক্তি এখন তাদের সুশৃঙ্খল সাংগঠনিক কাঠামো। স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, এডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকে দলের সব স্তরের নেতাকর্মী এককাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছেন। ধানের শীষের পক্ষে যে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে, তা বিগত কয়েক দশকের চেয়েও জোরালো বলে দাবি করছেন তৃণমূলের কর্মীরা।
​জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী কর্মী-সমর্থকরা
​বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার একজন প্রবীণ ভোটার বলেন, “আমরা এমন একজন প্রতিনিধি চাই যাকে সংকটে পাশে পাওয়া যায়। নুরুল ইসলাম নুরুল সেই আস্থার জায়গাটি তৈরি করতে পেরেছেন।” অন্যদিকে, দলীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন,এই আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত।

​অন্যদিকে এই আসনে নির্বাচন করছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন,জামায়াতে ইসলামীর এডভোকেট শামসুদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতী শহীদুল ইসলাম,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুফতী আজিজুল হক, প্রার্থীরা প্রচারণায় থাকলেও কৌশলগত দিক থেকে নুরুল ইসলাম নুরুল বেশ এগিয়ে। তিনি নিয়মিত গণসংযোগ, উঠান বৈঠক এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে গেছেন। তাঁর এই নিরলস পরিশ্রম এবং দলের প্রতি একনিষ্ঠতা তাকে এই আসনের অন্যতম প্রধান শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

​সব মিলিয়ে সুনামগঞ্জ-৪ আসনের রাজনৈতিক সমীকরণে এডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল এখন একটি শক্তিশালী নাম। ধানের শীষের প্রতীক আর নুরুলের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা মিলে এই আসনে বিএনপি এক অপরাজয় অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনের চূড়ান্ত দিনে ব্যালটের মাধ্যমে এই জনসমর্থন কতটা প্রতিফলিত হয়।