বিকুল চক্রবর্তী: মৌলভীবাজার:
হাজী মুজিবের হাত ধরেই শ্রীমঙ্গল-কমগলগঞ্জের চিত্র পালটাবে বলে জানান শ্রীমঙ্গল কমলগঞ্জের মানুষ। যার যতেষ্ট যৌক্তিকতা আছে বলে জানান তারা। আর এটা বিশ্বাস করতেন বলেই ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভুমিধ্বস বিজয়ের মধ্যদিয়ে জয় লাভ করেন হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরী।
তারা বলেন, যে লোক কোন মন্ত্রী এমপি বা কোন ধরণের জনপ্রতিনিধি না হয়েও শিক্ষা, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান স্থাপনসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের ব্যাপক উন্নয়ন করতে পারেন তাহলে তিনি এবার সংসদ সদস্য হয়েছেন তার হাত ধরেই বিপুল উন্নয়নের মাধ্যমে এ এলাকার চিত্র পাল্টাবে।
অধ্যাপক অবিনাশ আচায্য জানান, হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরী সংসদ সদস্য বা কোন প্রকার জনপ্রতিনিধি না হয়েও উন্নয়নের নজির স্থাপন করেছেন।বিশেষ করে শিক্ষা ক্ষেত্রের সবগুলো স্থরে রয়েছে হাজী মুজিবুর রহমানের অবদান। তিনি বিদ্যালয়, মহা বিদ্যালয়, প্রাথমিক স্কুল ও মাদ্রাসাসহ একাধিক শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে নিরক্ষরতার অন্ধকার দুর করে এলাকার মানুষের জন্য আলোর মশাল জ্বালিয়েছেন।
তিনি ও তার পরিবারের প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো মধ্যে অন্যতম হলো কমলগঞ্জ আলে পুরে আব্দুল গফুর মহিলা কলেজ প্রতিষ্টা, হাজী মুজিব বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, শামীম আহমদ চৌধুরী প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন, জহির উদ্দিন চৌধুরী হাফিজিয়া মা্দ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে এলাকায় শিক্ষার আলোকবর্তিকা হয়ে আছেন।
বিএনপি নেতা দুরুদ আহমদ জানান, তিনি যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিষ্টা করেছেন তা সম্পুন্ন নিজের অর্থায়নে, বাইরের কারো অনুদান নিয়ে নয়। তিনি বলেন, শুধু নিজেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলা নয় তিনি অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও আর্থিকভাবে ও স্থাপনা তৈরী করে দিয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ হলো পতনউষার উচ্চ বিদ্যালয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, মঙ্গলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রানীর বাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটসহ একাধিক প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসার মাঠ ভরাট, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, ব্রেঞ্চ ডেস্ক প্রদান, শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদান প্রদানসহ অসংখ্য কর্মকান্ড।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক মো: ইয়াকুব আলী জানান, শুধু শিক্ষা ক্ষেত্রে নয় ধর্মীয় ও এলাকার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নেও রয়েছে হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরীর ভূমিকা। তিনি শ্রীমঙ্গল কামারছড়া ও রাজঘাটসহ বেশ কয়েকটি চা বাগান নাটমন্ডির ও দেবালয় নির্মান করে দেয়াসহ ধলই নদীর ৭/৮টি স্থানে বাঁধ নির্মাণ করে দিয়েছেন।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মহিউদ্দিন আহমদ ঝাড়ু জানান, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও রয়েছে হাজী মুজিবের অবদান। মনিপুরি ললিত কলা একাডেমী, প্রেসক্লাব, বিভিন্ন নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে রয়েছে তার অনুদান। এ ছাড়াও দুই উপজেলায় কাঁচা রাস্তা ইটসোলিং করে দেয়া, নতুন রাস্তা তৈরী করে দেয়া, কন্যাদায়গস্থ পিতাকে বিয়ে দিয়েতে সহায়তাসহ তার অসংখ্য জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ড সমাজে আলোচিত।
স্থানীয় বাসিন্ধা পিন্টু গোয়ালা, দুলাল হাজরা, রতন কুর্মী, টিটু আহমদসহ স্থানীয় একাধিক বাসিন্ধা জানান, যে লোক নির্বাচিত না হয়ে এতো উন্নয়ন করতে পারেন এখন তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার হাত ধরে পযটন নগরী শ্রীমঙ্গল- কমলগঞ্জের চিত্র পাল্টে যাবে।