ক্ষমতায় গেলে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয় করবে বিএনপি

শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ইশতেহার ঘোষণা করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। পাঁচটি অধ্যায়ে বিভক্ত এই ইশতেহারে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী, উৎপাদনমুখী এবং সময় উপযোগী করে গড়ে তুলতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির পাঁচ শতাংশ অর্থ বরাদ্দের অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। এরই অংশ হিসেবে বাংলা-ইংরেজির পাশাপাশি আরবি, জাপানিজসহ তৃতীয় ভাষা শিক্ষা মাধ্যমিক পর্যায় থেকে চালু করার কথা বলা হয়।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনপির নির্বাচনি ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়। সেখানে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইশতেহারের বিভিন্ন অঙ্গীকার তুলে ধরেন।

ইশতেহারে বলা হয়, শিক্ষাখাতে বরাদ্দকৃত অর্থ শুধু ভবন নির্মাণ বা অবকাঠামো উন্নয়নে সীমাবদ্ধ রাখা হবে না। বরং শিক্ষার মান উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিশেষ করে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ ও পাঠদানের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

দলটি জানিয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা উপকরণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করা হবে।

ইশতেহারের ‘শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন’ অংশের শুরুতেই বলা হয়েছে, তারা দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে কর্মসংস্থানমুখী ও উৎপাদনশীল কাঠামোয় রূপ দিতে চায়। শিক্ষানীতির মূল লক্ষ্য হবে বাস্তব জীবনঘনিষ্ঠ শিক্ষা নিশ্চিত করা। সব স্তরের শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হলেও প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এ ছাড়া নৈতিকতা ও মৌলিক মূল্যবোধ শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। বর্তমানে শিক্ষাক্ষেত্রে যে বিশৃঙ্খলা ও সংকট রয়েছে তা দূর করে নিম্ন ও মধ্যস্তরে প্রয়োজনভিত্তিক শিক্ষা এবং উচ্চশিক্ষায় জ্ঞাননির্ভর শিক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৪ ফেব্রুয়ারি নিজেদের নির্বাচনি ইশতেহার প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সেখানে দলটি শিক্ষাখাতে জিডিপির ৬ শতাংশ ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়।