জাতির সংবাদ ডটকম।।
কনফারেন্স অ্যান্ড এক্সিবিশন ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস – সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ এর আয়োজনে ৭-৯ মে, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭.০০টা পর্যন্ত, ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি), কুড়িল, ঢাকায়, তিন দিনব্যাপী একযোগে শুরু হলো আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ফুড, এগ্রো, মেডিটেক্স এবং হেলথ ট্যুরিজম এক্সপো ২০২৬।
৭ মে, বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি, নবরাত্রি- হল ৪) প্রদর্শনীসমূহের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মেহেরুন এন. ইসলাম, প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর, সেমস-গ্লোবাল (ইউএসএ অ্যান্ড এশিয়া প্যাসিফিক)। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ ফিরোজ উদ্দিন; কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক, ড. সালমা লাইজু; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোঃ মহসীন; বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোছাঃ নারগিস মুরশিদা; বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডার) ডিরেক্টর জেনারেল গাজী এ.কে.এম ফজলুল হক এবং আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচেম) নির্বাহী কমিটির সদস্য মির্জা সজীব রায়হান।
বাংলাদেশের খাদ্য ও কৃষিজ যন্ত্রপাতি, খাদ্য ও পানীয় পণ্য এবং প্যাকেজিং সামগ্রীবিষয়ক শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী হিসেবে ‘৯ম ফুড বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৬’ ও ‘৬ষ্ঠ ফুড প্যাক এক্সপো ২০২৬’ আইসিসিবির গুলনকশা হল–১-এ এবং ‘৯ম এগ্রো বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৬’ ও ‘৯ম পোল্ট্রি অ্যান্ড লাইভস্টক বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৬’ আইসিসিবির পুষ্পগুচ্ছ হল–২-এ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
খাদ্য, কৃষি ও প্লাস্টিক শিল্পের অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, উন্নত প্রযুক্তি, পণ্য এবং পরিষেবা বিষয়ক এ প্রদর্শনীসমূহে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, থাইল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, জাপান, মালয়েশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ১৫ টিরও অধিক দেশের প্রায় ১০০টি কোম্পানি, ১৬০টিরও অধিক বুথ নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে।
‘৯ম এগ্রো বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৬’-এ উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে, আকিজ এগ্রো অ্যান্ড লাইভস্টক লিমিটেড, নাবিল গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ, এমএইচ ধানমন্ডি লিমিটেড, ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, থাকরাল ইনফরমেশন সিস্টেমস প্রাইভেট লিমিটেড (ডিজেআই) প্রভৃতি। এছাড়াও অংশ নিয়েছে বাংলাদেশে অবস্থিত ব্রাজিল দূতাবাস, যা ‘দ্য ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার, লাইভস্টক অ্যান্ড ফুড সাপ্লাই (MAPA – মাপা)-এর প্রতিনিধিত্ব করছে।
‘৯ম ফুড বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৬’-এ উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি, লে বুর্ন, শিলাইদহ ডেইরি আল্ট্রা, মধুমতি এগ্রো অ্যান্ড ডেইরি ফার্ম, রুনচা, পুরো ফুডস লিমিটেড, প্যারাগন ইন্টারন্যাশনাল, হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াকফ) বাংলাদেশ, কিভা হান প্রভৃতি। পাশাপাশি পাকিস্তান দূতাবাস, পাকিস্তানের ট্রেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (টিডিএপি)-এর প্রতিনিধিত্বে পাকিস্তান প্যাভিলিয়নে অংশগ্রহণ করছে। এবারের ‘৯ম ফুড বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৬’-এ তৃতীয়বারের মতো ‘কফি ফেস্ট’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে কফি বিন, কফি পণ্য ও যন্ত্রপাতি প্রদর্শন করা হচ্ছে।
একইসঙ্গে চিকিৎসা সরঞ্জাম, স্বাস্থ্যসেবা ও পর্যটন খাতের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী মেডিটেক্স ও হেলথ ট্যুরিজম ২০২৬ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা সরঞ্জাম, অস্ত্রোপচার, ফার্মাসিউটিক্যাল ও ডায়াগনস্টিক যন্ত্রপাতি এবং হাসপাতালের সরঞ্জাম ও সরবরাহ খাতকে কেন্দ্র করে ‘১৭তম মেডিটেক্স বাংলাদেশ ২০২৬ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো’, ‘১০ম বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল ল্যাব এক্সপো ২০২৬’ এবং ‘১২তম ফার্মা বাংলাদেশ ২০২৬ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো’ আইসিসিবির নবরাত্রি হল-৪-এ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাশাপাশি ‘৯ম ইন্টারন্যাশনাল হেলথ ট্যুরিজম অ্যান্ড সার্ভিসেস এক্সপো বাংলাদেশ ২০২৬’ রাজদর্শন হল–৩-এ আয়োজন করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য পর্যটন এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি ও সেবা নিয়ে স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান, দেশি-বিদেশি হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সহযোগিতা বিষয়ক এ প্রদর্শনীসমূহে ভারত, পাকিস্তান, চীন, শ্রীলংকা, ইন্দোনেশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, নেপাল, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক, বাংলাদেশ, দক্ষিণ কোরিয়া, মরোক্কো, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়াসহ ১৫ টিরও অধিক দেশের প্রায় ৯০টি কোম্পানি ও হাসপাতাল, ১৫০টিরও অধিক বুথ নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে। প্রদর্শনীতে উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে, সিএফসি – এসআইবিএল রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ ইনিশিয়েটিভ, হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক সলিউশন, বিটিএল মেডিকেল ডিভাইস বাংলাদেশ লিমিটেড, মেডিপ্যাক টেকনোলজিস লিমিটেড, এলাইভ হেলথকেয়ার প্রভৃতি। ‘৯ম ইন্টারন্যাশনাল হেলথ ট্যুরিজম অ্যান্ড সার্ভিসেস এক্সপো বাংলাদেশ ২০২৬’-এর ইন্দোনেশিয়া প্যাভিলিয়নে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশে অবস্থিত ইন্দোনেশিয়া দূতাবাস।
আয়োজকরা বলেন, এ প্রদর্শনীসমূহ সংশ্লিষ্ট শিল্পের ক্রেতা ও বিক্রেতাদের জন্য একটি ‘ওয়ান স্টপ’ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, যেখানে কৃষি ও খাদ্য খাতের নানাবিধ বাস্তবসম্মত সমাধান তুলে ধরা হবে। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক পরিসরে পারস্পরিক জ্ঞান ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের সুযোগ তৈরি হবে, যা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও সুদৃঢ় করবে এবং দেশের খাদ্য ও কৃষি খাতের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
একইভাবে, স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রদর্শনীসমূহও সংশ্লিষ্ট খাতের ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময় বাড়বে, যা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও স্বাস্থ্য পর্যটন খাতের উন্নয়নে এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বক্তারা আরও বলেন, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সঠিক চিকিৎসক, উপযুক্ত হাসপাতাল এবং নির্ভরযোগ্য সেবা পাওয়া জরুরি। এ প্রেক্ষাপটে হেলথ ট্যুরিজম এক্সপো দীর্ঘদিন ধরে একটি সমন্বিত সমাধানের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে।
প্রদর্শনীর পাশাপাশি রয়েছে ছয়টি বিশেষায়িত সেমিনার। ‘৯ম এগ্রো বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৬’-এর অংশ হিসেবে চারটি, ‘৯ম ফুড বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৬’ এর অংশ হিসেবে একটি এবং ‘১৭তম মেডিটেক্স বাংলাদেশ এক্সপো ২০২৬’-এর অংশ হিসেবে একটিসহ, থাকছে মোট ছয়টি বিশেষায়িত সেমিনার। এগ্রি, পোল্ট্রি, লাইভস্টক ও এগ্রো-প্রসেসিং খাতে জ্ঞান বিনিময়, কৃষিখাতে স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে এসব সেমিনার অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
৭ মে ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) বিকাল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত হল-২-এ অনুষ্ঠিত হয় ‘এনিম্যাল ফিড এন্ড পোল্ট্রি ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক প্রথম সেমিনার। এতে ফিড উৎপাদন ও পোল্ট্রি শিল্পের আধুনিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেমিনারটির সহযোগিতায় রয়েছে ব্রাজিলের কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও খাদ্য সরবরাহ মন্ত্রণালয় (দ্য ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার, লাইভস্টক অ্যান্ড ফুড সাপ্লাই – MAPA)।
৮ মে ২০২৬ (শুক্রবার) বিকাল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত হল–৪-এ ‘১৭তম মেডিটেক্স বাংলাদেশ এক্সপো ২০২৬’-এর অংশ হিসেবে দ্বিতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। মেডিপ্যাক টেকনোলজিস (ইউনাইটেড গ্রুপ)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই সেমিনারের শিরোনাম “দ্য ওয়ান স্যাম্পল ‘গাট ন্যারেটিভ’: বিয়ন্ড দ্য স্ন্যাপশট – মাস্টারিং দ্য প্যাথলজি টাইমলাইন”। এতে প্যাথলজি বিশ্লেষণের আধুনিক পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হবে। একই দিন বিকাল ৫টা থেকে ৬টা পর্যন্ত হল-২-এ অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় সেমিনার ‘জেনেটিক এক্সেলেন্স ও ব্রিডিং’। এতে লাইভস্টক জেনেটিক্স ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির নতুন দিকগুলো তুলে ধরা হবে। এই সেমিনারটিও ব্রাজিলের কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও খাদ্য সরবরাহ মন্ত্রণালয় (MAPA) সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হবে।
৯ মে ২০২৬ (শনিবার) দুপুর ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত হল-২-এ ‘সুইস কন্টাক্টের বাইটস প্রজেক্ট’ এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হবে চতুর্থ সেমিনার ‘নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ার্স ফর এগ্রো-প্রসেসড এক্সপোর্টস’। একই দিন ব্রাজিলের কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও খাদ্য সরবরাহ মন্ত্রণালয় (MAPA) সহযোগিতায় বিকাল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত হল-২-এ অনুষ্ঠিত হবে পঞ্চম সেমিনার ‘ব্রাজিল–বাংলাদেশ এগ্রো কোঅপারেশন’। এতে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কৃষি সহযোগিতার সম্ভাবনা ও কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হবে। সন্ধ্যা ৫টা ৩০ মিনিট থেকে ৭টা পর্যন্ত হল-২-এ ‘৯ম ফুড বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৬’ এর অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে সর্বশেষ সেমিনার ‘দ্য ২০২৬ শিফট: রেজিলিয়েন্স, ট্রেসেবিলিটি অ্যান্ড দ্য ফিউচার অব স্পেশালটি স্কেলিং ইন বাংলাদেশ’। এতে বাংলাদেশের কৃষিখাতে স্থিতিশীলতা, খাদ্য উৎপাদন ও সাপ্লাই চেইনের স্থিতিশীলতা, খাদ্য পণ্যের উৎস ও মান ট্র্যাকিং এবং বিশেষায়িত উৎপাদন ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করা হবে।
এই সেমিনারগুলো দেশের কৃষি ও সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচনে, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক ও শিল্প উদ্যোক্তাদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপন করবে বলে আয়োজকরা আশাবাদী। ইতোমধ্যে, ‘৯ম এগ্রো বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৬’ এর অধীনে সপ্তাহব্যাপী ‘এগ্রো প্রসেসিং গ্লোবাল গেটওয়ে’ অনুষ্ঠিত হয়। কৃষক, উৎপাদক থেকে শুরু করে প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান, রপ্তানিকারক এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ‘সেমস-গ্লোবাল’ ও ‘সুইস কন্টাক্টের বাইটস প্রজেক্ট’ সম্মিলিতভাবে আয়োজন করে সপ্তাহব্যাপী এ ‘এগ্রো প্রসেসিং গ্লোবাল গেটওয়ে’। ‘এগ্রো প্রসেসিং গ্লোবাল গেটওয়ে’ আয়োজনে বিশেষ সহযোগিতা করে বাংলাদেশস্থ কিংডম অব নেদারল্যান্ডস দূতাবাস। ‘এগ্রো প্রসেসিং গ্লোবাল গেটওয়ে’ এর চট্টগ্রাম (১-২ এপ্রিল ২০২৬), খুলনা (৩-৪ এপ্রিল ২০২৬) এবং রাজশাহী (৫-৬ এপ্রিল ২০২৬) পর্বে ফ্রান্স, ইন্ডিয়া ও শ্রীলঙ্কা থেকে বায়ারদের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয় এবং এর থেকে কৃষিপণ্য ও খাদ্যপণ্য রপ্তানির ক্রয়াদেশও পেয়েছে বাংলাদেশ।