জাতির সংবাদ ডটকম।।
গত ১৯ আগষ্ট ২০২৬ বুধবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন ভবনের ৪ তলা হৃদরোগ বিভাগের ৪২৮ নং রুমের ১২ নং বেডে তিনদিন চিকিৎসা নেওয়ার পর শরীরের বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার রিপোর্ট দেখে নিউরোলজি বিভাগের কর্তব্যরত ডাক্তারগণ দিলীপ কুমার দাসের শরীর মোটামুটি ভালো বুঝতে পেরে গত শনিবার ২২আগষ্ট ২০২৬ রোগীর ছাড়পত্র দিয়ে মেডিকেল কলেজ থেকে বিদায় দেন। কিন্তু পরবর্তী ওষুধ সেবনের ব্যবস্থাপত্রে প্রপারট্রিটমেন্টের পরিবর্তে কঞ্জারবেটিভ ট্রিটমেন্ট দেওয়া হয়েছে আগামী একমাসের জন্য অর্থাৎ আগের উল্লেখিত ব্যবস্থাপত্রের ওষুধ সংযোজন বিয়োজন হতে পারে।
ময়মনসিংহ মেডিকেললে ৪দিন চিকিৎসা ও
৩ জন মানুষের খাওয়া খরচ ও দিলীপ কুমার দাসের শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষায় ১৫ /২০ হাজার টাকা ইতিমধ্যে খরচ হয়েছে তাও সেই টাকাগুলো ধারকর্জ করা মানুষের টাকা,কিন্তু বাকি ওষুধ গুলো সেবন ও পথ্য খাওয়ার মতো কোন অর্থ নেই সাংবাদিক দিলীপ কুমার দাসের কাছে । অপরদিকে তাঁর মেয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ও ছেলে গৌরীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে পড়ালেখা করে। সংসারে তার অভাব অনটন রয়েছেই। তাই তিনি নিয়মিত ওষুধ সেবন থেকে ব্যহত হচ্ছেন যা পরবর্তীতে তাঁর জন্য মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
সাংবাদিক দিলীপ কুমার দাস এ প্রতিবেদককে বলেন, তাঁর অসুস্থতার খবরটি ফেইসবুক গণমাধ্যমে ভাইরাল হলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম. ইকবাল হোসেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের কেবিন ফি ৩ হাজার ৬ শ টাকা মওকুফসহ তাঁর শারীরিক অসুস্থতার খোঁজখবর নেন। এছাড়া ডক্টরস অব এসোসিয়েশনের সাবেক সহসভাপতি ডাঃ মোঃ আব্দুস সেলিম ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ডাক্তার নাসিমসহ কর্তব্যরত একদল চিকিৎসক দিলীপ কুমার দাসের স্পেশাল ভাবে চিকিৎসাসেবা দানে সবসময়ই তাঁর দিকে সুদৃষ্টি রেখেছেন। অপরদিকে গৌরীপুর গৌরীপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী মোঃ আবুল বাসেদ কাজল ভাই দিলীপ কুমার দাসকে আর্থিক সহায়তাসহ তাঁর পাশে থাকার জন্য আশ্বস্থ করেন।