খুলনায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন এবং পরে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানানোর অভিযোগে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক নারী।
অভিযোগকারী কারিমা আক্তার খুলনা সিটি ল কলেজের এলএলবি বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি গত ১৮ জুলাই কেএমপি কমিশনারের কাছে দাখিল করা অভিযোগে শেখ এবাদত হোসেন নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ আনেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত শেখ এবাদত হোসেন খানজাহান থানাধীন শিরোমনি এলাকার বৈশাখী সুপার মার্কেটের মালিক।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ জুন খুলনা নগরীর পিটিআই মোড়ে অবস্থিত সন্ধানী ম্যারেজ মিডিয়ার মাধ্যমে উভয়ের বিয়ের বিষয়ে আলোচনা ও প্রাথমিক সম্মতি হয়। এরপর অভিযুক্ত নিয়মিত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতে থাকেন এবং একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ৩০ জুন শিরোমনিতে তার অফিসে ডেকে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া, গত ৬ জুলাই বাইরে খাওয়ানোর কথা বলে বৈকালী এলাকা থেকে গাড়িতে তুলে বাইপাস সড়কের একটি নির্জন স্থানে এবং পরে ফেরার পথেও পুনরায় শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই নারী। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্ত তাকে একটি থ্রি-পিস উপহারও দেন।
অভিযোগকারী দাবি করেন, পরবর্তীতে তার পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত প্রথমে কাবিনের মাধ্যমে বিয়ের আশ্বাস দিলেও পরে নানা অজুহাত দেখিয়ে বিয়ে এড়িয়ে যান এবং ধীরে ধীরে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। বর্তমানে তিনি ফোনও রিসিভ করছেন না বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে কারিমা আক্তার দাবি করেন, অভিযুক্ত পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিয়ের মিথ্যা আশ্বাস ও প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন এবং পরে প্রতারণার মাধ্যমে সম্পর্ক অস্বীকার করেছেন। এতে তিনি মানসিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে যথাযথ তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেএমপি কমিশনারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিযোগকারী।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শেখ এবাদত হোসেন, ঘটনার বিবরন স্বীকার করলেও শারীরিক সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন।
২য় পর্বে ভিডিওসহ বিস্তারিত আসছে….