মালয়েশিয়া-চীন সফর সফল হওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস: প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের বর্ণাঢ্য মিছিল

শনিবার, জুলাই ৪, ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার।।
মালয়েশিয়া ও চীন সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা এবং দেশের সম্মান ও মর্যাদা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে রাজধানীতে এক বর্ণাঢ্য মিছিল বের করেছে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নয়াপল্টনস্থ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এই মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি নাইটিঙ্গেল মোড়সহ আশপাশের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নয়াপল্টনে এসে শেষ হয়।

মিছিলে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম নোমান। এসময় সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ ও গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছাড়াও কয়েক হাজার উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মী অংশ নেন। মিছিলে দলীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন এবং প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংবলিত প্লেকার্ড উঁচু করে ধরে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিলটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

মিছিল শেষে নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নজরুল ইসলাম নোমান।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফল ও ঐতিহাসিক সফর বাংলাদেশের জন্য একটি যুগান্তকারী অর্জন। মালয়েশিয়া ও চীনের মতো শক্তিশালী অর্থনৈতিক অঞ্চলের দেশগুলোর সাথে তারেক রহমানের বুদ্ধিদীপ্ত কূটনৈতিক সম্পর্ক বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং মর্যাদায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাপূর্ণ জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রধানমন্ত্রীর এই অবিরাম সংগ্রাম ও কূটনৈতিক সাফল্যে আমরা গর্বিত। এই সাফল্য উদযাপনে আজ আমাদের এই শুভেচ্ছা মিছিল।’

প্রত্যাশিত বক্তব্যে স্বেচ্ছাসেবক দলের অন্যান্য নেতারা উল্লেখ করেন, এই সফরের মাধ্যমে বৈদেশিক বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানসহ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে যুগান্তকারী অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তারা দলের চেয়ারপারসনের এই কূটনৈতিক সাফল্যে বিরোধী দলগুলোও বিমুগ্ধ হয়েছে বলে দাবি করেন।

উল্লেখ্য, গত ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যায়ক্রমে মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার রাতে চীন সফর শেষে সফলতার সাথে দেশে ফেরেন তিনি। ফেরার পরপরই দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে স্বাগত ও শুভেচ্ছা জানানো শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে এই মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়।