জনগণকে কনভিন্স করাটাই আমাদের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’: তারেক রহমান

শনিবার, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের জনগণকে কনভিন্স করাটাই হচ্ছে বিএনপির ইঞ্জিনিয়ারিং। জনগণকে আমাদের পক্ষে নিয়ে আসা— সেটাতে আমরা সফল হয়েছি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রেকর্ড বিজয়ের পর শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমানের উদ্দেশে খালেদ মুহিউদ্দিনের প্রশ্ন ছিল, ‘অভয় দিলে জানতে চাই, নির্বাচনে আপনার দল যে দুইশ’ এর বেশি আসন (বিএনপি ২০৯ ও শরিকরা ৩টি আসন) পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে—এতগুলো আসন পেতে আপনাদের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করতে হয়েছে কি না?’

জবাবে তারেক রহমান বলেন, জনগণকে কনভিন্স করাটাই হচ্ছে আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং। আমাদের যে ইঞ্জিনিয়ারিংটা ছিল সেটা হচ্ছে জনগণকে আমাদের পক্ষে নিয়ে আসা। সেটাতে আলহামদুলিল্লাহ আমরা সফল হয়েছি। জনগণকে কনভিন্স করে একটি সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করাই ছিল আপনার প্রথম প্রশ্নের উত্তর।

তার দ্বিতীয় প্রশ্নের জবাবে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আর যেকোনো ভালো কাজ, ভালো লক্ষ্য অর্জন করতে গেলে তো কষ্ট করতে হবে।

এর আগে সংবাদ সম্মেলনে শুরুতে ইংরেজিতে বক্তব্য পাঠ করেন তারেক রহমান। তারপর বক্তব্য দেন বাংলা ভাষায়। এরপর তিনি দেশি-বিদেশি অতিথিদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন।

এ সময় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং ইসলামী আন্দোলনসহ যেসব দল অংশ নিয়েছিল, সব দলকে অভিনন্দন এবং সাধুবাদ জানান তারেক রহমান।

তারও আগে এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানই হচ্ছেন ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, তিনি (তারেক রহমান) আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবেন।

বিএনপি মহাসচিব উল্লেখ করেন, এই নির্বাচন প্রমাণ করেছে যে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন দল যেমন ঐক্যবদ্ধ, তেমনি দেশের ১৮ কোটি মানুষও আজ ঐক্যবদ্ধ। নির্বাচনে উদারপন্থী গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।