সাপাহারে কলমুডাঙ্গা মাঠের রাস্তায় গর্ত ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক জনতা

সোমবার, জুন ১, ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার পাতাড়ী ইউনিয়নের কলমুডাঙ্গা,বলদিয়াঘাট গ্রামের কাঁচা রাস্তার বেহাল দশার কারণে সীমান্তবর্তী চকচকির মাঠ ও সাত বিলা মাঠ থেকে পাকা ধান কেটে ঘরে তোলা কৃষকদের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। মাঠ থেকে ধান নিয়ে আসার একমাত্র পথে বেশ কয়েকটি গর্ত হওয়ার কারনে সেখানে বৃষ্টির পানি জমে কাদা-জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ওই রাস্তা দিয়ে পাওয়ার টলি ও ট্রাক্টরে করে ধান আনা-নেওয়া করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগী কৃষক সিরাজুল ইসলাম জানান মাঠ থেকে কাটা ধান পরিবহনে দ্বিগুণ খরচ করতে হচ্ছে। অপর দিকে ঘন ঘন বৃষ্টির কারনে ধানের শীষে চারা গজিয়ে অপচয় বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মাঠ থেকে বোরো ধান পরিবহনে কৃষকের সমস্যা অস্বাভাবিক ভাবে দিন দিন বেড়েই চলেছে।
সারা দেশে যখন সোনালী ফসল বোরো ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ধুম পড়ে তখন সাপাহার উপজেলার এই অবহেলিত জনপদ কলমুডাঙ্গার চকচকি ও সাতবিলা মাঠের পাকা ধান কেটে ঘরে তোলার সবচেয়ে বড় মাধ্যম কাঁচা ও ভাঙা চোরা রাস্তা। কলমুডাঙ্গা ও বলদিয়াঘাট এলাকায় সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে কৃষকদের এই সীমাহীন দুর্ভোগের বাস্তব চিত্র । চকচকির মাঠ ও সাতবিলা মাঠের মাঝ খানের এক মাত্র ওই কাঁচা রাস্তাটিতে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে ধান বহনকারী টলি, ট্রক্টোর গুলো প্রায়ই উল্টে যায়। ফলে মাঠের ধান মাঠেই পঁচে নষ্ট হয়। কৃষক সাদিকুল জানান মজুরি দ্বিগুণ দিয়েও সময় মত শ্রমিক মিলছেনা। মাঠের ধান বাড়িতে আনতে এলাকার কৃষকগণ অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ বিষয়ে পাতাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের মতামত নেয়ার চেষ্টা করা হলে তাকে পরিষদে পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্য তরিকুল ইসলাম জানান চলমান এ সমস্যা থেকে উত্তোরণের এক মাত্র উপায় হলো সরকারি ভাবে জরুরী বরাদ্দ দিয়ে রাস্তাটির গর্ত সমুহে ইট খোয়া বা বালি ভরাট করে সাময়িক ভাবে চলাচল উপযোগী করা। পরবর্তি সমযে একটি প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে রাস্তাটি স্থায়ী ভাবে পাকা করা। রাস্তাটির উন্নয়নে এলাকাবাসী স্থানীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান এমপির জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।