জাতির সংবাদ ডটকম।।
বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগসহ বিভিন্ন জনস্বাস্থ্য বিষয়ক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি স্বাস্থ্য উন্নয়নভিত্তিক (Health Promotion) উদ্যোগকে আরও জোরদার করা প্রয়োজন। পাশাপাশি পরিবেশ, প্রকৃতির সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনকে সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সমন্বিত অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যা সুস্থ জীবনধারা গড়ে তুলতে সহায়তা করে। একটি স্বাস্থ্যবান, নিরাপদ ও টেকসই সমাজ গঠনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য উন্নয়ন কার্যক্রমের সমন্বয় অত্যন্ত জরুরী।
১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, সকাল ১১টায় স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বোর্ডরুমে আয়োজিত স্টেট ইউনির্ভাসিটি অব বাংলাদেশ (এসইউবি) এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্ট এর মধ্যে হেলথ প্রমোশন বিষয়ক একটি “সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর (এমওইউ)” অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন স্টেট ইউনির্ভাসিটি অব বাংলাদেশ (এসইউবি) এর ভিসি প্রফেসর ডা. মো: আক্তার হোসেন খান, রেজিস্টার ডা. আহমেদ হোসেন, এডিশনাল রেজিস্টার ফারহানা শারমিন এবং ইউনির্ভাসিটির পাবলিক হেলথ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন। ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী, প্রজেক্ট ম্যানেজার নাঈমা আকতার এবং কমিউনিকেশন অফিসার শানজিদা আক্তার। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট এর মো: শাওন মিয়া এবং স্টেট ইউনির্ভাসিটি অব বাংলাদেশ (এসইউবি) বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের শিক্ষকবৃন্দ। উক্ত সমঝোতা স্মারকের আওতায় ভবিষ্যতে হেলথ প্রমোশন, গবেষণা, প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, নীতিগত সংলাপ এবং কমিউনিটিভিত্তিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্টেট ইউনির্ভাসিটি অব বাংলাদেশ ও ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করে।
আয়োজনে বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্য উন্নয়ন (হেলথ প্রমোশন) একটি সমন্বিত ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, যেখানে ব্যক্তির সচেতনতা, দায়িত্বশীল আচরণ এবং সামাজিক অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি শিক্ষা, গবেষণা ও কমিউনিটিভিত্তিক কার্যক্রমের সমন্বয় প্রয়োজন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সংস্থার মধ্যে এ ধরনের অংশীদারিত্ব তরুণদের হেলথ প্রমোশন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করে দক্ষ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীরা বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে। এধরনের উদ্যোগ জনস্বাস্থ্য উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।